মনে পড়ে কি বাংলাদেশ, পটুয়াখালী সদর উপজেলার গোলবুনিয়া গ্রামের হাছান শিকদার, লাউকাঠি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা কমিটির সদস্য ছিলেন, যাকে ২০০৩ সালের ২৭ অক্টোবর স্থানীয় বিএনপির সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে স্ত্রী, কণ্যা ও পুত্রবধূর সামনে প্রথমে গুলি ও টেটাবিদ্ধ করেই ক্ষান্ত হয়নি তারপর পৈশাচিক উল্লাসে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেই ক্ষান্ত হয়েছিল! কি বাংলাদেশ আজকের দিনগুলি নিশ্চই তার চেয়েও খারাপ যাচ্ছে তাই না, সেদিন নিশ্চই দেশে গণতন্ত্র ছিল কিন্তু আজ নেই!!! আসুন সন্ত্রাসী সংগঠন বিএনপি-জামাত কে পরিহার করি ।।
শুক্রবার, ২০ জুলাই, ২০১৮
বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই, ২০১৮
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ(৩২)?
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ, লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ পৌরসভাধীন কমরদিয়া গ্রামের গৃহবধু জয়ন্তী রানী আচার্য্যের কথা (স্বামী দেবেন্র কুমার আচার্য্য)। ২০ মার্চ ২০০৫ সালের গভীর রাতে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বিএনপির ৭ সন্ত্রাসী! বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীরা মূলত কমরদিয়া সহ আশেপাশের হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের মাধ্যমে তাদের উৎখাত এবং সম্পত্তি দখলের নিমিত্তেই এভাবে পাষবিক নির্যাতন চালায় সেখানে! সেদিন মানবাধিকার কোথায় ছিল জানতে পারি কি বাংলাদেশ? আজ তো দেশে মানবাধিকার নাই তাই না ?
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ(৩০)?
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ ২০০২ সালের ৪ মার্চ বিএনপি'র সন্ত্রাসীদের হাতে ধর্ষণের স্বীকার হয় নওগাঁর এই কিশোরী ববিতা রাণী? তার পাশে দারাতে ছুটে যান বঙ্গবন্ধু কণ্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা কিন্তু ববিতাকে শান্তনা দেবার ভাষা হারিয়ে ফেলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা ! সেই বাংলাদেশ কি ফিরে পেতে চান? মনে আছে তো বাংলাদেশ সে সব কথা?
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ(২৯)?
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার কান্দারা গ্রামের স্কুল ছাত্রী কিশোরী শিউলী'র কথা ? স্থানীয় প্রভাবশালী বিএনপি নেতা আব্দুল জলিলের ছেলে ধর্ষক হারুন স্কুল ছাত্রী শিউলীকে ১০ এপ্রিল ২০০২ সালে ধর্ষণ করে! স্থানীয় বিএনপি নেতার ছেলে হওয়ায় সেদিন থানায় অভিযোগ করা সত্ত্বেও কোন তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি! ভুলে গেলে কি চলবে বাংলাদেশ সেসব কথা ?
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ(২৮)?
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ ঢাকা ২৫ নং ওয়ার্ড যুবলীগের আহ্বায়ক প্রাণোচ্ছল তরুণ আবুল কালাম আজাদ সুমন কে ? তার বিরুদ্ধে কোন মামলা বা অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও ৩০ মে র্যাবের হাতে তাকে প্রাণ দিতে হয়েছিল? সুমন হত্যাকান্ডে স্তম্ভিত আদালত বিচার বিভাগীয় তদন্ত করার অভিযোগ দিয়েছিল, কিন্তু কোন পদক্ষেপই নেওয়া হয়নি! তো সেদিন নিশ্চই দেশে শান্তি ছিল, ছিল না কোন রাজনৈতিক দমন পীড়ন বা হত্যা ! কি বাংলাদেশ মনে আছে তো সেসব কথা ?
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ(২৫)?
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ অজাতশত্রু সর্বজন শ্রদ্ধেয় এডঃ মঞ্জুরুল ইমাম ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য, যাকে খুলনায় নিজ বাসভবনের সন্নিকটে রিক্সায় চড়ে কর্মস্থলে যাবার সময় প্রকাশ্য দিবালোকে বোমামেরে হত্যা করে বিএনপি-জামাত সন্ত্রাসী বাহিনী! সেদিন নিশ্চই অনেক বেশী নিরাপদ ছিল বাংলাদেশ, তাই না?
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)









