মনে পড়ে কি বাংলাদেশ, সেই রক্তাক্ত বাংলাদেশের কথা ২০০১-২০০৬, বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সে সময় রাজনৈতিক হত্যা হয়ে উঠেছিল প্রত্যাহ ব্যাপার ! আওয়ামীলীগকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য যে সে সময় আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতাদেরকেই হত্যা ও হত্যা চেষ্টা প্রতিনিয়ত হত শুধু তাই নয়, অগণিত আওয়ামী সমর্থক, কর্মী হত্যার মাধ্যমে সেই বাংলাদেশ হয়েছিল রক্তাক্ত, মানবতা হয়েছিল লাঞ্ছিত! মনে পড়ে কি বাংলাদেশ, চট্রগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামীলীগ নেতা এবং নাগরিক কমিটি মনোনিত প্রার্থী তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত মেয়র, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে পরাস্থ করার সবরকম চেষ্টাই করা হয়, তারই অংশ হিসাবে ২১ এপ্রিল ২০০৫ সালে তার দুজন সমর্থক ঘাট শ্রমিক নেতা শাহাবুদ্দিন এবং শাহাজাহান কে জোট সরকারের নির্দেশে পুলিশ গুলিকরে হত্যা করে! মনে পড়ে কি সেই রক্তাক্ত বাংলাদেশের কথা ?
বুধবার, ২৫ জুলাই, ২০১৮
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ(৩৯)?
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ বিএনপি-জামাত জোট সরকারের ২০০১-২০০৬ সালের কথা, উদ্দেশ্যমূলক হত্যা যেখানে নিত্যনৈমিত্যিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছিল, গ্রেণেড যখন খেলার সামগ্রীতে পরিণত হয়েছিল, সাংস্কৃতিক মুক্তদ্বারকে গলাটিপে হত্যা যখন খুব সাধারণ বিষয় হয়ে উঠেছিল, সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস কোন ব্যাপারই ছিল না, ধর্ষন ছিল জোট সরকারের সোনার ছেলেদের আমোদ-প্রোমদের বিষয় সেই বাংলাদেশের কথা? সেই সময়ে মোঃ রাজ্জাক মন্ডলদের মত লাশে পরিণত হতো প্রায়ই সাধারণ মানুষ। ছবিটির হত্যভাগ্যের নাম মোঃ রাজ্জাক মন্ডল, বিএনপিরস্নত্রাসীদের হাতে নিহত এই হতভাগ্যের বাড়ি ছিল পাবনার সদর উপজেলার বাগদিপাড়ায়! মনে পড়ে কি সে সব দিনের কথা ?
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ(৩৮)?
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ লক্ষ্মীপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নূর নবী ৭১ এ পাকিস্তানীদের পরাজিত করেছিল, কিন্তু হত্যা হয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে বিএনপি জামাত সন্ত্রাসীদের হাতে ! মনে পড়ে কি বাংলাদেশ জোট সরকারের জনৈক প্রতিমন্ত্রীর সন্ত্রাসীদের হাতে হত্যা হয়েছিল আমাদের নাটোরের লালপুরের নিভৃত গ্রাম হাবিবপুরের তরুন মোঃ মোয়াজ্জেম হক? আজ যারা মাহমুদুর রহমানের সামান্য রক্তের লাল রঙ দেখে প্রলাপ বকছেন, সেদিন আমাদের রক্তের নদী বুকের উপর দিয়ে বইছিল, লাশের ভারে কাঁধ অচল হয়ে পড়েছিল সে দিনের কিছু কথা কি বলবেন প্লিজ? মনে আছে তো সেসব কথা ?
রবিবার, ২২ জুলাই, ২০১৮
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ(৩৭)?
মনে পড়ে কি, ২০০১-২০০৬ কিভাবে এই বাংলাদেশ জঙ্গীবাদের বিষবাস্পে নিমজ্জিত হয়েগিয়েছিল। গ্রেণেড তখন খেলার সামগ্রী ছিল। আওয়ামীলীগ মানেই ছিল গ্রেণেড মেরে উড়িয়ে দেবার অথবা জবাই করে ফেলে রাখার বস্তু। কিন্তু সেই সন্ত্রাস কিন্তু শুধুই যে আওয়ামীলীগের উপর ছিল তা নয়! সেই উদ্দেশ্যমূল্ক সন্ত্রাস ও হত্যাযগ্য ছিল সাংস্কৃতিক ব্যাক্তি, লেখক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবীদের উপর। সেই উদ্দেশ্য মূলক হত্যার নির্মম ছোবল থেকে রক্ষা পাননি বিশিষ্ট লেখক, কবি, শিক্ষক ডঃ হুমায়ুন আজাদ। ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমীর অমর একুশে বইমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীরা নির্মম পাশবিক হামলা চালায়। প্রাথমিক ভাবে কিছুটা সুস্থ হলেও, সেই ধকল আসলে তিনি বইতে পারেন নাই। সুদূর জার্মানীর মিউনিখে তিনি রহস্যজনকভাবে মারা যান। এই যে বাংলাদেশ মনে পড়ে কি সেদিনগুলোর কথা ?
শুক্রবার, ২০ জুলাই, ২০১৮
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ(৩৬)?
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ ২০০৪ সালের ২৭শে জুন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সন্ত্রাসীরা হত্যা করে খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি, দৈনিক জন্মভূমির সম্পাদক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন কবির বালুকে ? সেদিন দেশের গণতন্ত্রে কোন বাধা পড়েনি, বাকস্বাধীনতায় কোন বাধা পড়েনি, সেদিন দেশে কোন রাজনৈতিক হত্যা হয়নি, কিন্তু আজ দেশ পক্ষাঘাতে ভুগছে তাই না? যারা এসব বলছে তারা এদেশ কে সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত করার সব ক্রিয়া সম্পন্ন করেছিল। আসুন বিএনপি-জামাত সন্ত্রাসী সংগঠনকে প্রতিহত করি, করি বর্জন।।
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ(৩৫)?
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ, বাগেরহাটের ছবি রাণী বিশ্বাসের কথা ? বিএনপি জামাতের সদ্যুসের হাতে সম্ভ্রম হারানো ছবি রানী বিশ্বাস যখন হাসপাতালে পড়ে ছিল, বঙ্গবন্ধু কণ্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ছুটে গিয়েছিলেন তার পাশে। বাকরুদ্ধ পরিবেশ তখন শান্তনা দেবার ভাষা হারিয়ে ফেলেছিল। আজকের এই বাংলাদেশের উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য হাল যখন শেখ হাসিনার হাতে, তখন ওই কুলাঙ্গারের দল গণতন্ত্র নাই, গণতন্ত্র নাই বলে মাতম করছে! কি বাংলাদেশ জবাব টা কি, দেশে নিশ্চই তখন গণতন্ত্র ছিল আর এখন নাই ?
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ(৩৪)?
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ, পটুয়াখালী সদর উপজেলার গোলবুনিয়া গ্রামের হাছান শিকদার, লাউকাঠি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা কমিটির সদস্য ছিলেন, যাকে ২০০৩ সালের ২৭ অক্টোবর স্থানীয় বিএনপির সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে স্ত্রী, কণ্যা ও পুত্রবধূর সামনে প্রথমে গুলি ও টেটাবিদ্ধ করেই ক্ষান্ত হয়নি তারপর পৈশাচিক উল্লাসে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেই ক্ষান্ত হয়েছিল! কি বাংলাদেশ আজকের দিনগুলি নিশ্চই তার চেয়েও খারাপ যাচ্ছে তাই না, সেদিন নিশ্চই দেশে গণতন্ত্র ছিল কিন্তু আজ নেই!!! আসুন সন্ত্রাসী সংগঠন বিএনপি-জামাত কে পরিহার করি ।।
বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই, ২০১৮
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ(৩২)?
মনে পড়ে কি বাংলাদেশ, লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ পৌরসভাধীন কমরদিয়া গ্রামের গৃহবধু জয়ন্তী রানী আচার্য্যের কথা (স্বামী দেবেন্র কুমার আচার্য্য)। ২০ মার্চ ২০০৫ সালের গভীর রাতে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বিএনপির ৭ সন্ত্রাসী! বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীরা মূলত কমরদিয়া সহ আশেপাশের হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের মাধ্যমে তাদের উৎখাত এবং সম্পত্তি দখলের নিমিত্তেই এভাবে পাষবিক নির্যাতন চালায় সেখানে! সেদিন মানবাধিকার কোথায় ছিল জানতে পারি কি বাংলাদেশ? আজ তো দেশে মানবাধিকার নাই তাই না ?
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)









